হালাল ব্যাবসায়ের নমুনা
Uncategorized

হালাল ব্যাবসায়ের নমুনা

Spread the love
হযরত ইমামে আজম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ  আমরা যার মাজহাবের অনুসারী, তিনি অনেক বড় ব্যাবসায়ী ছিলেন।কাপড়ের ব্যাবসা করতেন।কিন্তু হাদীসের ওপর আমল করতে গিয়ে বড় থেকে বড় মুনাফাও ছেড়ে দিয়েছেন।
একদিন তাঁর কাছে কাপড়ের একটি থান আসল।থানটির মধ্যে সামান্য একটু রিজেক্ট ছিল। তিনি দোকানের ম্যানেজারকে বলে দিলেন : বিক্রির সময় ক্রেতাকে যেনো এ সামান্য ক্রুটি সম্পর্কেও বলে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর ম্যানেজার কাপড়ের ওই ক্রুটিযুক্ত থানটি বিক্রি করে দিলেন।কিন্তু ঘটনাক্রমে কাপড়ে যে ক্রুটি ছিল তা ক্রেতাকে বলতে ভুলে গেলো। যখন ইমাম সাহেব ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করলেন :সে ক্রুটিযুক্ত থানের কি খবর?
ম্যানেজার বলল ঃ হযরত ! আমিতো সে থান বিক্রি করে দিয়েছি
অন্য কোন মালিক হলে নিশ্চয়ই ম্যানেজারকে চালাকির পুরস্কার হিসেবে অতিরিক্ত বখশিস দিত।ইমাম সাহেব জিজ্ঞেস করলেন ঃ তুমি কি কাপড়ের থানে যে সমস্যা ছিল, তা ক্রেতাকে বলেছ?
ম্যানেজার বললঃ হযরত! আমি সে ক্রুটি সম্পর্কে বলতে ভুলে গেছি।
ইমাম সাহেব সারা শহর জুড়ে ক্রেতার খোঁজ লাগালেন।বহু তালাশের পর সে ক্রেতাকে পেয়ে তিনি বললেনঃ জনাব ! আপনি আমার দোকান থেকে কাপড়ের যে থান কিনে নিয়েছিলেন তার মধ্যে সমস্যা আছে। সুতারাং আপনি সে থানটি আমাকে ফিরিয়ে দিন।আর যদি সে ক্রুটি আপনি রাখতে চান তাহলে সেটা আপনার খুশি।
ইমাম সাহেবের এ সততায় লোকটি অবাক হয়ে গেলো।
 
সত্যিই ইমাম আজম আবু হানীফা রহ. ইতিহাসের অন্যতম মহৎ ব্যাক্তিত্ব ছিলেন।সততার নসীহত সবাই করতে পারে। কিন্ত নিজের ব্যাক্তি জীবনে, বা ব্যাবসায়িক জীবনে সততার প্রয়োগ ক’জনই
করতে পারে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *